তরমুজের বাম্পার ফলন, চাষিদের মুখে হাসি

744

তরমুজের বাম্পার ফলন, চাষিদের মুখে হাসি
সোহাগ রহমান, গলাচিপা, পটুয়াখালী : চৈত্রের মাঝামাঝি এবং বৈশাখের প্রথম দিকে পটুয়াখালীর বিভিন্ন হাট-বাজারে ওঠে এই মধুময় ফল ‘তরমুজ’। একটানা ৩ থেকে ৪ মাস কৃষকের হাড়ভাঙ্গা পরিচর্যার পরে বাজারে আসে সবশ্রেণীর মানুষের পছন্দের এই ফলটি। এ বছর পটুয়াখালী জেলায় ৮টি উপজেলার মধ্যে একমাত্র দুমকি উপজেলা ব্যতীত বাকি ৭টি উপজেলায় ১৩ হাজার ৭শ’ ১৮ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তরমুজ আবাদ হয়েছে জেলার সর্বদক্ষিণে রাঙ্গাবালী উপজেলায়। এ উপজেলায় ৮ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ করা হয়। এ ছাড়া জেলার গলাচিপায় ৪ হাজার হেক্টর, কলাপাড়ায় ৫শ’ ১৫ হেক্টর, দশমিনায় ৪শ’ হেক্টর, বাউফলে ২শ’ ৭৫ হেক্টর, পটুয়াখালী সদরে ১৮ হেক্টর ও মির্জাগঞ্জে ৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ করা হয় এবং এ বছর ফলন ও দাম ভাল হওয়ায় চাষিদেও মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠেছে। এর ফলে পটুয়াখালীসহ দক্ষিণ উপকূলের কৃষকদের মধ্যে তরমুজ চাষে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে তরমুজ সরবরাহে লেবার মজুরী কম হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ রয়েছে। তাদেও দাবি, সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে, বাজার উর্ধ্বগতি, তাই মজুরীও বৃদ্ধি করা হোক। গত বিগত দিনে তরমুজ প্রতি ১টা করে দেওয়া হতো, এ বছর তারা ১টা ৫০ পয়সা করে দেওয়ার দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্ট লেবাররা।
অন্যদিকে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এ বছর যাতায়াত খরচ তুলতামূলক কম রয়েছে। বিশেষ করে ট্রাক-লরীর ভাড়া কম রয়েছে। এতে করে ব্যবসায়িদের কেরিং খরচ কম হবে। এর ফলে তরমুজের দামও কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।